সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Boishakhi greetings Bengali New year পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা

 পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা   নব আনন্দে জাগো নবরবিকিরণে,করোনা সংক্রমণে আমরা আমাদের অনেক প্রিয়জনদের হারিয়েছি , তা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতেও পেরেছি। যেটা ছোট বেলায় মা বাবা খাবার আগে হাত ধোওয়া শিখিয়ে ছিল তাকে আবার নতুন করে শিখতে বাধ্য হয়েছি। তা ছাড়াও নিজেকে নিরাপদ রাখতে নতুন নতুন  কায়দা শিখতে পেয়েছি। করোনা কে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে এটা মনে রেখেই চলতে হবে। নতুন বছরে  পুরনো যত হতাশা, দুঃখ, অবসাদ,সেগুলোকে মুছে দিয়ে নতুন উদ্দমে সুস্বাস্থ্য, ভালোবাসা আর  উন্নতিতে ভরে উঠুক  এই নতুন বছর।  আশা করছি, এই নববর্ষ যেন সকলের  জীবনের শ্রেষ্ঠ বছর হয়, সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ ,সাথে সাথে আমাদের প্রত্যেকের  নিয়োগকর্তার  প্রত্যাশা পূরনের জন্যে সকলের প্রচেষ্টাও শ্রেষ্ট হোক এই কামনা করি। আর একবার নতুন বছরের অনেক অনেক সুভচ্ছা রইলো। সভাই ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ। 

বন্ধুর বিয়ের গল্প কাহিনী The story of a friend's wedding

 বন্ধুর বিয়ের গল্প কাহিনী  পাড়ার দাদা ধনা ,বয়সে আমাদের থেকে বড় হলেও বিয়ে করেনি ,তাই সবাই মাঝে মধ্যে তাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করে। সবাই ধরে নিয়েছে ধনা আর বিয়ে করবে না। কারণ বয়স পেরিয়ে গেছে বৈকি।  হটাৎ একদিন দেখলাম ধনাদার মুখে স্মিত হাসি আর সবাই তাকে ঘিরে গল্প করছে মোড়ের মাথায়। জানলাম দানাদার বিয়ে ঠিক হয়েছে পাশের গ্রামে। মেয়ের বয়স ও চল্লিশ ছুঁই ছুঁই , তবে দুজন কেই মানাবে। ধনাদার দিদি জামাইবাবু বিয়েটা ঠিক করেছে। পারে শুক্র বারেই বিয়ে ,তাই সবাই একসাথে গেলাম ওর জন্যে ধুতি পাঞ্জাবির অর্ডার দিতে।  সবাই বেজায় খুশি , সবাইকে নিয়ে জনা ৫৫ বরযাত্রী। কিন্তু অবাক কান্ড ধনাদা ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে যাবে , গাড়িতে যাবেনা। কিন্তু ঘোড়া পাবে কোথায় এখন ?চারদিকে খোঁজ করেও ঘোড়া পাওয়া গেলোনা। তবে ঘোড়া নিজে ধনাদাই ঠিক করে ফেললো , কি না কুলু বাড়ীর ঘান টানা ঘোড়া নিয়ে যাবে। সে এক পাগলামো মনে হলো ,কারণ সে ঘোড়া ভালোকরে হাটতেই পারেনা। যাইহোক সেইমতো আমরা সবাই বরযাত্রী সেজে পৌছালাম মেয়ের বাড়িতে। দানাদার ঘোড়া তখন  ও পৌঁছায়নি ,অনেক পরে কোনোক্রমে ঘোড়া নিয়ে বরের আগমন ঘটলো , দেখলাম ধনাদাকে বরের বেশে হ...

প্রথম বিড়ি টানার গল্প story of first smocking bidi

 প্রথম বিড়ি টানার গল্প  গোপাল দা আমার থেকে বয়সে ৩-৪ বছরের  বড় ছিল ,কিন্তু খুব ই বন্ধুসুলভ ,ওর বাবা ছিল স্কুলের বড়বাবু। আমাদের বাড়িতে প্রায় ই আসতেন ,আর এলে তামাক সাজিয়া দিতে বলতো বাবা আমাকে। একটা মাটির পাত্রে ধানের তুষ আর গোবরের ঘুঁটের আগুন থাকতো ,তামাকের কল্কিতে একটু মাখা তামাক দিয়ে তার ওপর ঘুঁটের একটা জ্বলন্ত আগুন দিয়ে মুখ দিয়ে ফু দিলেই হতো। তার পর নারকেলের খোলের দ্বারা নির্মিত কাঠের রড লাগানো একটি ছিলুম এ লাগিয়ে দিতাম। একাজটি অনেক সময় কেউ এলে অথবা বাবাও আমাকেই বানিয়ে দিতে বলতেন। আর সেটা থেকেই ছেলেবেলায় ছিলুম টানার একটা ইচ্ছা মনের মধ্যে বার বার ঘুরপাক খেত ,কিন্তু ভয়ে করতাম না। যদি কাশতে কাশতে শরীর খারাপ করে তাই. তবে গোপালকে দেখেছি লুকিয়ে লুকিয়ে বিড়ি খেতে ,তাই গোপালের কথাও বার বার মনে পড়তো যে ওর সাথে একদিন বিড়ি টেনে দেখবো কেমন লাগে। সেইমতো সুযোগ খুঁজতে লাগলাম। আমাদের বাড়ীর পেছনে একটা বাগান ছিল, তার পেছনে একটা পানের বারোজ আর তার পিছনে পুকুর। পুকুরের তিন দিকে দেয়াল। দেয়ালের ওপর বা সাইড এ উত্তম জায়গা। কেউ দেখতে বা বুঝতে পারবেনা।  গোপালকে সাহস করে একদিন বলেই ফেললাম ,আর ও...