সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Boishakhi greetings Bengali New year পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা

 পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা   নব আনন্দে জাগো নবরবিকিরণে,করোনা সংক্রমণে আমরা আমাদের অনেক প্রিয়জনদের হারিয়েছি , তা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতেও পেরেছি। যেটা ছোট বেলায় মা বাবা খাবার আগে হাত ধোওয়া শিখিয়ে ছিল তাকে আবার নতুন করে শিখতে বাধ্য হয়েছি। তা ছাড়াও নিজেকে নিরাপদ রাখতে নতুন নতুন  কায়দা শিখতে পেয়েছি। করোনা কে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে এটা মনে রেখেই চলতে হবে। নতুন বছরে  পুরনো যত হতাশা, দুঃখ, অবসাদ,সেগুলোকে মুছে দিয়ে নতুন উদ্দমে সুস্বাস্থ্য, ভালোবাসা আর  উন্নতিতে ভরে উঠুক  এই নতুন বছর।  আশা করছি, এই নববর্ষ যেন সকলের  জীবনের শ্রেষ্ঠ বছর হয়, সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ ,সাথে সাথে আমাদের প্রত্যেকের  নিয়োগকর্তার  প্রত্যাশা পূরনের জন্যে সকলের প্রচেষ্টাও শ্রেষ্ট হোক এই কামনা করি। আর একবার নতুন বছরের অনেক অনেক সুভচ্ছা রইলো। সভাই ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ। 

Amar Chele bela আমার ছেলে বেলা

জীবনে আমি কোনো বিশেষ স্থানে উপনীত হতে না পারলেও সবার মতো আমারও একটা ছোট বেলার কাল ছিল বৈকি ,যেমন সকলের থাকে ,তাই এই নিবেদন আপনাদের জন্যে।  আজকের অনুভূতিতে বলছি , স্কুলে জাওযার পথটা অনেক দূরে মনে হতো,কেন জানিনা। সেই কদমতলা মোর থেকে ডানদিকে বেঁকে ভোলাদের বাড়ির পেছনের রাস্তা দিয়ে বেনেদের ঘাট ,কালীমন্দির পেরিয়ে ডানদিকে ঢুকে স্কুলের গেট। সে এক লম্বা জার্নি , সে আবার দিনে দুবার করে , সকালে আবার দুপুরে টিফিন খেতে বাড়িতে আসা ,আবার যাওয়া। কিন্তু দূরত্ব ছিল ৭৫০ মিটার যেটা এখন বুঝতে পারছি।  সবমিলিয়ে এক দুরূহ সুন্দর অনুভূতি ,মনে হত স্কুলটা যদি বাড়িতে হতো তাহলে কত ভালো ছিল। তবে বাড়িতে স্কুল হলে রাস্তার এবং স্কুলের বদমহেসি গুলো যে করতে পারতাম না সেটা তখন কিন্তু মাথায় আসেনি।  যাইহোক স্কুল, বাড়ি আর খেলার মাঠ ,এই ছিল আমার বিশেষ গণ্ডি। মাঝে মধ্যে অবশ্য আসে পাশের বাড়ীর উঠোন খেলার মাঠে পরিণত হতো।  স্কুলের পড়াশুনার ব্যাপারে একটাই জিনিস মনে আসে ,মাস্টার মশাইদের হাতে মার খাওয়ার কথা, তা আবার বেতের ছড়ি দিয়ে ,হাতে রীতিমতো দাগ পড়ে যেত আর ভীষণ যন্ত্রনায় হতো। বাড়িতে সেকথা বলা যেত না কারণ বল...