সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Boishakhi greetings Bengali New year পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা

 পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা   নব আনন্দে জাগো নবরবিকিরণে,করোনা সংক্রমণে আমরা আমাদের অনেক প্রিয়জনদের হারিয়েছি , তা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতেও পেরেছি। যেটা ছোট বেলায় মা বাবা খাবার আগে হাত ধোওয়া শিখিয়ে ছিল তাকে আবার নতুন করে শিখতে বাধ্য হয়েছি। তা ছাড়াও নিজেকে নিরাপদ রাখতে নতুন নতুন  কায়দা শিখতে পেয়েছি। করোনা কে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে এটা মনে রেখেই চলতে হবে। নতুন বছরে  পুরনো যত হতাশা, দুঃখ, অবসাদ,সেগুলোকে মুছে দিয়ে নতুন উদ্দমে সুস্বাস্থ্য, ভালোবাসা আর  উন্নতিতে ভরে উঠুক  এই নতুন বছর।  আশা করছি, এই নববর্ষ যেন সকলের  জীবনের শ্রেষ্ঠ বছর হয়, সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ ,সাথে সাথে আমাদের প্রত্যেকের  নিয়োগকর্তার  প্রত্যাশা পূরনের জন্যে সকলের প্রচেষ্টাও শ্রেষ্ট হোক এই কামনা করি। আর একবার নতুন বছরের অনেক অনেক সুভচ্ছা রইলো। সভাই ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ। 

The memorable event in my life আমার জীবনের স্মরণীয় ঘটনা

 জীবনের কিছু ঘটে যাওয়া স্বরণীয় ঘটনা 

তখন আর্টিকেলশিপ করি ,তাই অডিটের কাজে প্রায় ই  বাইরে যেতে হতো ,সেবার কোলফিল্ডস এর অডিট এ  বিলাসপুর গিয়েছিলাম। কিন্তু জায়গাটি বিলাসপুর থেকে অনেক ভিতরে ,তাই বিলাসপুর থেকে আবার  ট্রেনে উঠে অনুপপুর যেতে হবে। সেখান থেকে কোম্পানির গাড়িতে কোৎমা যেতে হবে আমাকে। বাকিরা ওই ট্রেনেই পর পর আমলাই ,বীরসিংপুর এ যাবে। 

সেইমতো সবাই বিলাসপুর থেকে ট্রেনে উঠে পড়লাম। অনুপপুর সবার আগে এল ,তখন রাত সাড়ে ৯ টা বাজে।সবাইকে টা টা  করে স্টেশনে নেমে পড়লাম। স্টেশন এর বাইরে  SECL এর গাড়ী থাকবে , সাি মতো বাইরে বেরিয়ে গাড়ী খুঁজতে লাগলাম ,কিন্তু পেলাম না। তাই টেনশন বাড়তে লাগলো। আমি জানি যে আমাকে কোৎমা  SECL এর GUST HOUSE  এ যেতে হবে। গাড়ী ভাড়া খুজতে লাগলাম ,কিন্তু জানলাম সেটি অনেক দূর ৪৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার হবে ,আর এত রাতে কেউ ওদিকে যাবে না। কিন্তু বাস বা ট্রেনে  যাওয়া যায়. রাতে ট্রেন নেই কিন্তু ১০.৪৫ সে লাস্ট বাস ছাড়বে। তরি ঘড়ি করে বাস এ উঠে পড়লাম। 

বাস ছাড়লো কিন্তু নামবো কোথায় জানিনা। বাস কন্ডাকটর কে বললাম আমার যাওয়ার জায়গা ,সে বললো আপ যমুনা কোৎমা রেল স্টেশন মোড়েপে  উতার যাইয়ে। শুনে ভালো লাগলো যে আমি পৌঁছতে পারবো। অনেক উৎকন্ঠার পর আমাকে স্টেশন মোড়ে নামিয়ে দিলো রাত ১২.৩০ এর কাঁচা কাছি। চলে গেল বাস একটা মৃদু হর্ন বাজিয়ে ,আমি চারিদিকে একবার চেয়ে দেখলাম শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার। কোথাও কিছু নেই আর ,নেইও কোনো আলো। গভীর রাতের একটা স্তব্ধ পরিবেশ। 

কোনদিকে যাবো ,কোথায় যাবো কিচ্ছু জানিনা। হটাৎ মনে পড়লো বাস এ আসার সময় কিছু আগে একটা দোকানের মতো জায়গায় কেউ আলো জ্বালিয়ে বসে ছিল. তাই সেই আলোর খোঁজে পেছনের দিকে হাটতে শুরু করলাম। কিছুদূর যেতেই আলোটা চোঁখে এলো। এগিয়ে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম রেল স্টেশন কিভাবে যাবো ? লোকটা আমাকে দেখলো আর বললো বাহারসে আয়াহ কেয়া ? হুঁ বলতেই বল লো আপ নেহী যা পাওগে ,মেরে সাত আয়ও। কি অদ্ভত উত্তর , চললাম আবার উল্টোদিকে।  মেন্ রাস্তা থেকে কিছু দূরে গিয়ে ডান দিকে নেমে একটা বড় দেয়ালের ফাটা অংশ দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম ,ঢুকেই দেখি কোৎমা রেল স্টেশন। আর আলোও জ্বলছে। 

লোকটি আমাকে দেখিয়ে দিয়ে চলে গেলো তার গাড়িতে হাওয়া দেয়ার দোকানে। আমি ধন্যবাদ বলে চললাম রেল লাইন পেরিয়ে কোনো মানুষের সন্ধানে। 

স্টেশন এ গার্ড মিললো ,জিগ্যেস করলাম আমি SECL কোৎমা GUST HOUSE এ যাবো। লোকটি একটুও চিন্তা না করে আমাকে নিয়ে স্টেশন এর বাইরে এলো ,একটা ছোট্ট ঘুমটি তে এসে কাউকে ডাকলো , একটি লোক বেরোলো ,তাকে আমাকে নিয়ে যেতে বললো ভালুমারাতে। লোকটি অটো বের করলো ,আর আমি উঠে পড়লাম অটোতে। লোকটি বললো আপ SECL মে কাম করতে হ্যায় ,বললাম হুঁ। ১০-১৫ মিনিটস পর পৌঁছে গেলাম সেই গেস্ট হাউসের গেটের সামনে। অনেক ডাকা ডাকি ,হর্ন বাজানোর পর গেট খুললো। একজন দৌড়ে এসে বললো আপ অডিটর সাব হ্যায় ,হুঁ বলাতে সেলাম ঠুকে আমার ব্যাগ নিয়ে বল লো ওপরে চার নাম্বার রুম এ চলিয়ে। অটো ওয়ালাকে টাকা দিয়ে দন্যবাদ দিয়ে রুম এর দিকে এগোলাম।



মন্তব্যসমূহ

Popular post

The story of the failure of life. জীবনের ব্যার্থতার গল্প বিশ্বের সেরা দশজন সফল মানুষের

The story of the failure of life.বিশ্বের সেরা দশজন সফল মানুষের জীবনের ব্যর্থতার গল্প আলবার্ট আইনস্টাইন:  আলবার্ট আইনস্টাইন একজন সুপরিচিত বিজ্ঞানী এবং অসাধারণ প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব যিনি বিজ্ঞানের প্রতি তার মহান আবিষ্কার এবং অবদানের কারণে সারা বিশ্বে আমাদের প্রায় সকলেই পরিচিত। তিনি উদ্ধৃত করেছেন যে সাফল্য হল অগ্রগতিতে ব্যর্থতা এবং যে ব্যক্তি কখনও ব্যর্থ হয় না সে সত্যিকারের সফল ব্যক্তি হতে পারে না। শৈশবকালে, তিনি ক্রমাগত ব্যর্থতার শিকার হন। এমনকি নয় বছর বয়স পর্যন্ত তিনি সাবলীলভাবে কথা বলতে পারতেন না যার পরে তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু, ধারাবাহিকভাবে তিনি নিজেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাগরে একটি বিখ্যাত রত্ন হিসাবে প্রমাণ করেছিলেন এবং অবশেষে 1921 সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন। আব্রাহাম লিঙ্কন:  এই মহান ব্যক্তিত্ব যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিও ছিলেন তিনি বছরের পর বছর নিয়মিতভাবে ব্যাপক ব্যর্থতার শিকার হয়েছেন। 1831 সালে লিঙ্কন তার ব্যবসায় ব্যর্থ হন এবং তারপরে 1836 সালে তিনি একটি বড় স্নায়বিক ভাঙ্গন পান। বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহি...

Amar Chele bela আমার ছেলে বেলা

জীবনে আমি কোনো বিশেষ স্থানে উপনীত হতে না পারলেও সবার মতো আমারও একটা ছোট বেলার কাল ছিল বৈকি ,যেমন সকলের থাকে ,তাই এই নিবেদন আপনাদের জন্যে।  আজকের অনুভূতিতে বলছি , স্কুলে জাওযার পথটা অনেক দূরে মনে হতো,কেন জানিনা। সেই কদমতলা মোর থেকে ডানদিকে বেঁকে ভোলাদের বাড়ির পেছনের রাস্তা দিয়ে বেনেদের ঘাট ,কালীমন্দির পেরিয়ে ডানদিকে ঢুকে স্কুলের গেট। সে এক লম্বা জার্নি , সে আবার দিনে দুবার করে , সকালে আবার দুপুরে টিফিন খেতে বাড়িতে আসা ,আবার যাওয়া। কিন্তু দূরত্ব ছিল ৭৫০ মিটার যেটা এখন বুঝতে পারছি।  সবমিলিয়ে এক দুরূহ সুন্দর অনুভূতি ,মনে হত স্কুলটা যদি বাড়িতে হতো তাহলে কত ভালো ছিল। তবে বাড়িতে স্কুল হলে রাস্তার এবং স্কুলের বদমহেসি গুলো যে করতে পারতাম না সেটা তখন কিন্তু মাথায় আসেনি।  যাইহোক স্কুল, বাড়ি আর খেলার মাঠ ,এই ছিল আমার বিশেষ গণ্ডি। মাঝে মধ্যে অবশ্য আসে পাশের বাড়ীর উঠোন খেলার মাঠে পরিণত হতো।  স্কুলের পড়াশুনার ব্যাপারে একটাই জিনিস মনে আসে ,মাস্টার মশাইদের হাতে মার খাওয়ার কথা, তা আবার বেতের ছড়ি দিয়ে ,হাতে রীতিমতো দাগ পড়ে যেত আর ভীষণ যন্ত্রনায় হতো। বাড়িতে সেকথা বলা যেত না কারণ বল...